নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশে সমাজসেবা ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদান রাখার জন্য নিয়মিত সম্মাননা, পুরস্কার ও পদক প্রদান করা হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন চৌদ্দগ্রামের আলমগীর হোসেন।
জানা গেছে, সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কৃতিসন্তান মীর আলমগীর হোসেনকে। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন ডাকরা গ্রামের অধিবাসী মরহুম মীর আলী আহমেদের সন্তান। ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগর হোটেল অরনেট (থ্রী স্টার) অডিটোরিয়ামের হল রুমে আয়োজিত শেরে-ই- বাংলা সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যেগে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে মীর আলমগীর হোসেনকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কর্মময় জীবনী শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি আমার মা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জি এম কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে- প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তথ্য সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম- আহবায়ক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন (খোকন), নিরাপদ চিকিৎসা চাই সংগঠনের চেয়ারম্যান যুবরাজ খান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক সেলিম প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে চৌদ্দগ্রামের মুন্সীর হাট ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারন সম্পাদক সমাজ সেবক মীর আলমগীর হোসেনের প্রসংশা করে বলেছেন, সমাজের উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আজ আমরা গভীর গর্ব ও শ্রদ্ধার সাথে মীর আলমগীর হোসেনকে এই সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করছি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজের অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মীর আলমগীর হোসেনের উদ্যোগে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তার এই মানবিক প্রচেষ্টা সমাজে সহমর্মিতা, ঐক্য ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
আমরা বিশ্বাস করি, তার এই মহৎ কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের আরও অনেক মানুষকে সেবামূলক কাজে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করবে। মীর আলমগীর হোসেনের এই অনন্য অবদানের জন্য আমরা আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
অপরদিকে, প্রধান অতিথির হাত থেকে সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পুরস্কার গ্রহন করে, আসন্ন মুন্সীরহাট ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মীর আলমগীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই সম্মাননা আমার জন্য শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটি একটি দায়িত্বের প্রতীক। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে এই সম্মানে ভূষিত করেছেন। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে সমাজের জন্য কাজ করে যেতে। সমাজসেবা আমার কাছে কোনো পেশা নয়, এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব। আমরা প্রত্যেকে যদি আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই, তাহলে আমাদের সমাজ আরও সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।
মীর আলমগীর হোসেন আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি, একজন মানুষের ছোট একটি উদ্যোগও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে একে অপরের পাশে দাঁড়াই, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
এই সম্মাননা আমি উৎসর্গ করছি সেইসব মানুষদের, যারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন এবং আমাদের অনুপ্রেরণা জোগান। পাশাপাশি আমি ধন্যবাদ জানাই আমার পরিবার, বিএনপির সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের, যাদের সহযোগিতা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব হতো না। পরিশেষে, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—আমি আমার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো। সবাইকে ধন্যবাদ।
Leave a Reply