1. aparadhdristi1@gmail.com : admi2017 :
  2. editor@aparadhdristi.com : Aparadh Dristi : Aparadh Dristi
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামের আলোচিত সেই সরকারী জায়গা লাশ দাফন করতে না দেয়ার ঘটনা- এখন চোরের মায়ের বড় গলায় রূপ নিয়েছে! চৌদ্দগ্রামে সরকারী কবরস্থানে লাশ দাফনে জামায়াত নেতা বাধা প্রদান- এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়! কামরুল হুদা বিএনপির অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত! মহান বিজয় দিবস কালীগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হাদির ওপর হামলার ঘটনায় হান্নান গ্রেফতার, মোটরসাইকেল শনাক্ত রেলওয়ে সমবায়ে সচিব সাখাওয়াতের খুঁটি জোর কোথায়? দুদকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জব্দ হিসাব থেকে ১০০ কোটি টাকা সরালেন মাসুদ আলম জনস্বাস্থ্যের চরম বিপর্যয়: চকলেট-চিনি থেকে ওয়াসার পানি—কোথাও নেই নিরাপত্তা ফাইল আটকে অর্থ আদায়- হয়রানি কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

ক্ষমতার অপব্যবহার ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৫ বার

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নে ‘সরকার’ পদবিধারী একটি পরিবারের বিরুদ্ধে গুরুতর নৈরাজ্য, ভূমিদস্যুতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা সাধারণ মানুষকে দিশাহারা করে তুলেছে। এই পরিবারটির সদস্যরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় প্রভাব বিস্তার করে গ্রামে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম, অত্যাচার, লুটপাট ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

জানা গেছে, প্রয়াত আলী হোসেন সরকারের পরিবার বিএনপির সঙ্গে এবং তার ভাই ইমাম হোসেন সরকারের পরিবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুই পরিবার আদর্শিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। বরং তারা রাজনৈতিক পদ-পদবিকে ব্যবহার করে ভূমি দখল, সালিশি বাণিজ্য, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, গরু-মহিষ চুরি এবং খাস ও মালিকানাধীন ভূমি দখলের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালায়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দল পরিবর্তন হলে একে অপরের সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করার জন্যই তারা উভয় দলের ব্যানার ব্যবহার করে।

সম্প্রতি আলী হোসেন সরকারের ছেলে মনির সরকার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদের জন্য চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। এবার তার ভাই মোহসিন সরকার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদের প্রার্থী হয়েছেন। তবে জনমত জরিপে ধারণা করা হচ্ছে, এবারও তারা সফল হবেন না, কারণ জনগণ তাদের এই ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে প্রত্যাখ্যান করছে। অভিযোগ রয়েছে, মনির সরকারের বাবা আলী হোসেন সরকার যখন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন, তখনও তিনি ভূমি দখল, সালিশি বাণিজ্য, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, ডাকাতি ও চাঁদাবাজির মতো কাজে জড়িত ছিলেন এবং জনগণের জন্য কোনো ইতিবাচক অবদান রাখতে পারেননি।

ইমাম হোসেন সরকারের ছেলে কামরুল সরকার ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক ও ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার থাকাকালীন সময়েও তাদের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ উঠেছে। গত ১৭ বছরের আওয়ামী লীগ শাসন আমলে অস্ত্রের ভয় ও প্রভাব খাটিয়ে চরমেঘায় প্রায় ১,২০০ একর মালিকানাধীন ও খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় জরিপ ও অ্যাসিলেন্ট অফিসে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে খাস ও মালিকানার জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করিয়ে প্রকৃত মালিকদের উচ্ছেদ করাই ছিল তাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। বিগত বিএনপি সরকার আমলেও আলী হোসেন সরকার ও তার ছেলেরা চরমেঘায় প্রায় ১,৫০০ একর খাস ও মালিকানা জমি জবরদখল করে নিয়েছিল একই কায়দায়। আওয়ামী লীগ শাসনামলে কামরুল সরকার এই অবৈধ দখলকৃত জমিগুলো সুরক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন।

এবার সরকার পরিবর্তনের পর মোহসিন ও মনির হোসেন সরকার এই অবৈধভাবে দখলকৃত জমিগুলো রক্ষার জন্য তৎপর হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, অবৈধ উপায়ে ভূমি দখল ও নিজেদের কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তার জন্যই তারা দলীয় পদ খুঁজছে, যার কারণে স্থানীয়রা তাদেরকে ‘মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ’ বলে আখ্যায়িত করছে। সম্প্রতি মোহসিন ও মনির সরকার প্রায় ২০০ সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে চরমেঘায় ভোলা-লক্ষ্মীপুর সীমান্তে প্রায় একশত একর খাস জমি দখল করে প্রতি একর ২৮ হাজার টাকা হারে মোট ২৮ লাখ টাকা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই টাকা দিয়েই তারা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির পদ পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2025 AparadhDristi
Theme Customized By BreakingNews