আরমান: সমাজ ও চিকিৎসা সেবার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা সনদপত্র পেলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়ার মোঃ আমজাদ হোসেন। আমজাদ হোসেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় বিচারপতি এম এ ফারুক হোসেনের হাত থেকে এ সম্মাননা পুরস্কার গ্রহন করেন। মানুষের সেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর মধ্যে মানবাধিকার ও সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক সম্মাননা এবং বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পুরস্কার অন্যতম। এ ধরনের স্বীকৃতি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবিক সহায়তায় উৎসাহ যোগায়।
জানা গেছে, মোঃ আমজাদ হোসেন নিজের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। সাধারণত দরিদ্র, অসহায়, বঞ্চিত বা বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন। এদেশের সকল সমাজ সেবকদের মধ্যে অন্যতম একজন সফল সমাজ সেবক আমজাদ হোসেন। গত ৯ ই মে শনিবার রাজধানীর বিজয়নগর হোটেল অরটেন (থ্রী স্টার) অডিটোরিয়ামের হল রুমে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মধ্যদিয়ে, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির উদ্যেগে তার হাতে মানবাধিকার শান্তির পদক প্রদান করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির সভাপতি এ টি এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মোঃ ফারুক হোসেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডক্টর মোঃ সাদী উজ জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট রোকনউদদৌলা, একুশ পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডক্টর জসিম উদ্দিন আহমেদ, মানবাধিকার জোটের উপদেষ্টা সাংবাদিক মীর হোসেন মোল্লা সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ও আমন্ত্রিত মেহমানবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, মোঃ আমজাদ হোসেন গত দেড় যুগ ধরে সাধারম মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সহযোগিতা এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন। নিঃসন্দেহে মোঃ আমজাদ হোসেন একজন সমাজ সেবক হিসেবে সাধারন মানুষের আপদে বিপদে সার্বিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত রেখেছেন।
এদিকে, সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা পুরস্কার গ্রহন করার পর আমজাদ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার কোন লোভ লালসা নেই। আমি মানুষের সুখে দুঃখে সবসময় পাশে থাকতে চাই। আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সকলের উপকার করতে চাই। আমাদের মা মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।’ তিনি বলেন, শিক্ষা, শান্তি ও উন্নয়নের প্রত্যয়ে নিরাপদ ও আধুনিক একটি দেশ গড়ে তোলাই আমাদের সবার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবহেলিত প্রতিবন্ধি, বিধবা, বয়স্কদের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য।
Leave a Reply