মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো যেমন বিকাশ, নগদ ও রকেট অনেক ক্ষেত্রে হয়ে উঠেছে এই অবৈধ লেনদেনের সহজ মাধ্যম। অনলাইন ক্যাসিনোতে অর্থ ঢুকছে মাদকাসক্ত তরুণদের মোবাইল থেকে, আবার সেখান থেকেই গেমের নামে কোটি কোটি টাকা পাচার হচ্ছে দেশের বাইরে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এটি শুধুই আর্থিক ক্ষতি নয়, এটি সামাজিক ও মানসিক ধ্বংস। যুব সমাজের নৈতিকতা ও জীবনের উদ্দেশ্য দুটোই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।”পরিবারের অজান্তে তরুণরা রাতভর ফোনে অনলাইন ক্যাসিনো খেলছে, টাকার ঘাটতি মেটাতে মাদক ব্যবসায়ীদের ফাঁদে পা দিচ্ছে।
অনেকেই ঋণে জড়িয়ে পড়ছে, কেউ আবার আত্মহননের পথও বেছে নিচ্ছে।আমরা আজ এক ভয়াবহ ভাইরাসের মধ্যে বেঁচে আছি এই ভাইরাসের নাম “আসক্তি”। মুক্তি পেতে হলে দরকার সচেতনতা, পারিবারিক নজরদারি, এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপ।সরকারের পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।
শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিতে হবে, ইন্টারনেট ব্যবহারে সীমা ও দিকনির্দেশনা দিতে হবে।
শেষ কথা:আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও নৈতিক সমাজ।এই ভয়াবহ আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে নিজের পরিবার থেকে, নিজের দায়িত্ববোধ থেকে, নিজের দেশের ভবিষ্যতের জন্য।









Leave a Reply