মোঃ শাহ আলম শিকদার: রাজধানীর পল্লবীর থানার মিরপুর-১১ নাম্বার মিল্লাত ক্যাম্প এলাকা দিনের পর দিন হয়ে উঠছে মাদক সম্রাট জুম্মনের মাদকের র্স্বগরাজ্য। অতি দ্রুত ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ থাকায় নিজের পাশাপাশি স্বপরিবারেও নেমেছে মাদকের বাণিজ্যে। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্ত্রী এবং শাশুড়ীর সহযোগিতায় জমজমাটভাবে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে মাদক সম্রাট জুম্মন!
জানা গেছে, মাদকের অভয় অরোণ্য খ্যাত মিল্লাত ক্যাম্পের সবচেয়ে বেশি খুচরা হিরোইন ও ইয়াবা বিক্রেতা হচ্ছেন জুম্মন। মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় জুম্মন এককভাবে রাম রাজত্ব কায়েম করার জন্য টার্গেট নিয়েছেন। তার পরিবারের মাদক ব্যবসায়ীরা ছাড়া অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদের কব্জা করার বিভিন্ন প্রতিনিয়ত কৌশলে অবলম্বন করে আসছে। প্রতিহিংসা পরায়ন মাদক সম্রাট জুম্মন সুযোগ পেলেই অন্য মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে নিরীহ মানুষকে আটক করে হয়রানী সহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, জুম্মন তার শাশুড়ী শাব্বু এবং স্ত্রী শাহানাকে সেলসম্যান হিসেবে ব্যবহার করে, তার মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছে। কতেক অসাধু প্রশাসনকে সাপ্তাহিক এবং মাসিক চাঁদা দেয়ার পাশাপাশি শেল্টার দাতা চাপ্তানি সোহেল নামক এক রাজনৈতিক নেতাকে দিতে হয় মোটা অংকের চাঁদা। ফলে মিল্লাত ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক সম্রাট জুম্মনের মাদক সিন্ডিকেট এখন খুব ভয়ংকর!
স্থানীয়রা জানায়, ভয়ংকর মাদকের গডফাদার জুম্মনের মাদক সিন্ডিকেট খুব ভয়ংকর ভাবে গর্জে উঠেছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে ভয়ংকর ঝড় আর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী। চুরি ছিনতাই সহ সকল অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের- হিরোইন এবং ইয়াবার লালসা দেখিয়ে, মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে তাদেরকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছে। জুম্মন সুশীল সমাজ এবং মিল্লাত ক্যাম্প এলাকার জন্য ভয়ংকর একজন লোক।
খোজ নিয়ে জানা যায়, পল্লবী থানার মিল্লাত ক্যাম্প এলাকা সহ রাজধানীর প্রায় কয়েকটি এলাকায় তার রয়েছে এক অভিনব সাম্রাজ্য- যে সাম্রাজ্যের রানী তার স্ত্রী শাহানা এবং শাশুড়ী শাব্বু মহারাণী সেজে দায়িত্ব পালন করছেন। জুম্মন সহ তারা দুজনেই প্রশাসনের গ্রেফতার থেকে অধরা মাদক সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। যে কারনে পল্লবী থানা মিল্লাত ক্যাম্প এলাকা ও আশেপাশের এলাকায় খুচরা মাদক সাপ্লাইকারি হিসেবে জুম্মনের ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। মাদক সম্রাট জুম্মনের শাশুড়ী শাব্বু প্রকাশ্যই মাদকদ্রব্য বিক্রি করার ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্র দেখা গেছে। ***
জনশ্রুতি রয়েছে যে, ভয়ংকর মাদক সম্রাট জুম্মনের খুঁটির জোর নাকি অনেক শক্তিশালী, টাকা দিয়ে তিনি থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, র্যাব সহ সকল প্রশাসনের কতেক অসাধু অফিসারকে ম্যানেজ করে, রমরমা এই মাদক ব্যবসা চালিয়ে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করে মিলেছে আরো বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, মিরপুর-১১ নাম্বার মিল্লাত ক্যাম্প এলাকার খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে জুম্মন। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে সে চাঁদা দিয়ে, তার অবৈধ মাদক ব্যবসাকে খুব চাঙ্গাভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় উঠতি বয়সী যুবকদের হাতে মাদক তুলে দেয়ার ফলে- মাদকের সহজলভ্যতায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ। এটি দেখার যেন কেউ নেই। তাই এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি দ্রুত এই মাদকের গডফাদার জুম্মনকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার জন্য সাধারন জনগন এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে সেনা বাহিনীর প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
Leave a Reply